বিশ্বাস আর ভালোবাসার সমন্বয়ে মানুষের জীবন। এ দু’টির মধ্য হতে একটিতেও
যদি ঘুণে ধরে তাহলে সেটা কোন স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হতে পারে না।
হিসেব করলে দেখা যায় পৃথিবীতে সবচেয়ে দামী বস্তুটার নাম হচ্ছে “বিশ্বাস” এই বস্তুতা না হলে পৃথিবীর সব কিছুই যেন মূল্যহীন। জীবনের প্রথম চোখটা মেলে যখন মা’কে দেখেছিলাম তখন জানতাম না তিনিই আমার মা। মহান রাব্বুল আলামীন ছোট্ট মনটার ভেতর এমন একটা বিশ্বাসের অঙ্কুর একে দিলেন যে অনায়েসেই মেনে নিলাম তিনিই আমার মা।
বিশ্বাস মানে হতে পারে আস্থা ভরসা বা বিশ্বাসের দৃঢ়তা (বিশ্বাস যত বেশী সন্দেহ তত কম) যা খুব বেশী হলে তাকে বলা যায় ভক্তি বা অন্ধবিশ্বাস। আবার বিশ্বাস মানে হতে পারে আশা বা আশ্বাস বা বিশ্বাস করার ইচ্ছা ।
বিশ্বাস হতে পারে একজনের ব্যক্তিগত কষ্ট কল্পনা।
সর্বোপরি , বিশ্বাস মানুষের জীবনের মূল মন্ত্র হওয়া উচিত ……..
কারো প্রতি বিশ্বস্ত হও অথবা কারো বিশ্বাস আদায় করা এবং বিশ্বাসের যথাযথ মূল্যায়নই সমগ্রবিশ্বকে তথা প্রত্যেক ব্যক্তিকে আলাদা আলাদা ভাবে শান্তি দিতে পারে। বিশ্বাস কোন খোলা বাজারের পণ্য নয়। এটা বিক্রয় হয় না এটা অর্জন করতে হয়। আর যখন বিশ্বাস বিক্রয় হয় তখন সেটা আর বিশ্বাস থাকে না।
আর নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস যেন নিজেকে সর্বোচ্চ শিখরে উঠিয়ে নিতে পারে ঠিক তেমনই নিজের ভালবাসার প্রতি বিশ্বাস মানুষকে স্বর্গের সুখ দিতে পারে। ভালবাসা বাঁচে বিশ্বাসে…. সেখানে যদি একবার অবিশ্বাসের বিষ ঢোকে সেখানে আর ভালবাসা থাকতে পারে না… সেখানে এককী রাজত্ব করে একটি ভালবাসার মৃতকঙ্কাল, যার শরীরে অবিশ্বাসের জ্বালায় জ্বলতে থাকে এক যন্ত্রণা।
ভালবাসায় অবিশ্বাসের যন্ত্রণা যে শুধু একজনকেই গ্রাস করে তা নয়, এখানে দুই জনই মানসিক যন্ত্রণায় ভোগে….
সুতরাং স্বাভাবিক সাবলীল সুন্দর জীবন যাপনের জন্য চাই নির্মল বিশ্বাস ও স্বচ্ছ ভালোবাসা।
ভালবাসায় কখনো কোন কিছু লোকানো বা মিথ্যা থাকা উচিত নয় যা বিশ্বাস নষ্ট করে…..
আজকের লেখাটা উৎসর্গ করলাম সেই মানুষটাকে যার হাত ধরে পরম বিশ্বাস আর ভালোবাসা নিয়ে কাটিয়ে দিতে চেয়ে ছিলাম যুগের পর যুগ। যেন স্বর্গ প্রেমের হাতছানি যেখানে ক্লান্তিরা এসে বাসা বাঁধে না। চির অটুট থাকবে এ বন্ধন, এই কামনায়......................
হিসেব করলে দেখা যায় পৃথিবীতে সবচেয়ে দামী বস্তুটার নাম হচ্ছে “বিশ্বাস” এই বস্তুতা না হলে পৃথিবীর সব কিছুই যেন মূল্যহীন। জীবনের প্রথম চোখটা মেলে যখন মা’কে দেখেছিলাম তখন জানতাম না তিনিই আমার মা। মহান রাব্বুল আলামীন ছোট্ট মনটার ভেতর এমন একটা বিশ্বাসের অঙ্কুর একে দিলেন যে অনায়েসেই মেনে নিলাম তিনিই আমার মা।
বিশ্বাস মানে হতে পারে আস্থা ভরসা বা বিশ্বাসের দৃঢ়তা (বিশ্বাস যত বেশী সন্দেহ তত কম) যা খুব বেশী হলে তাকে বলা যায় ভক্তি বা অন্ধবিশ্বাস। আবার বিশ্বাস মানে হতে পারে আশা বা আশ্বাস বা বিশ্বাস করার ইচ্ছা ।
বিশ্বাস হতে পারে একজনের ব্যক্তিগত কষ্ট কল্পনা।
সর্বোপরি , বিশ্বাস মানুষের জীবনের মূল মন্ত্র হওয়া উচিত ……..
কারো প্রতি বিশ্বস্ত হও অথবা কারো বিশ্বাস আদায় করা এবং বিশ্বাসের যথাযথ মূল্যায়নই সমগ্রবিশ্বকে তথা প্রত্যেক ব্যক্তিকে আলাদা আলাদা ভাবে শান্তি দিতে পারে। বিশ্বাস কোন খোলা বাজারের পণ্য নয়। এটা বিক্রয় হয় না এটা অর্জন করতে হয়। আর যখন বিশ্বাস বিক্রয় হয় তখন সেটা আর বিশ্বাস থাকে না।
আর নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস যেন নিজেকে সর্বোচ্চ শিখরে উঠিয়ে নিতে পারে ঠিক তেমনই নিজের ভালবাসার প্রতি বিশ্বাস মানুষকে স্বর্গের সুখ দিতে পারে। ভালবাসা বাঁচে বিশ্বাসে…. সেখানে যদি একবার অবিশ্বাসের বিষ ঢোকে সেখানে আর ভালবাসা থাকতে পারে না… সেখানে এককী রাজত্ব করে একটি ভালবাসার মৃতকঙ্কাল, যার শরীরে অবিশ্বাসের জ্বালায় জ্বলতে থাকে এক যন্ত্রণা।
ভালবাসায় অবিশ্বাসের যন্ত্রণা যে শুধু একজনকেই গ্রাস করে তা নয়, এখানে দুই জনই মানসিক যন্ত্রণায় ভোগে….
সুতরাং স্বাভাবিক সাবলীল সুন্দর জীবন যাপনের জন্য চাই নির্মল বিশ্বাস ও স্বচ্ছ ভালোবাসা।
ভালবাসায় কখনো কোন কিছু লোকানো বা মিথ্যা থাকা উচিত নয় যা বিশ্বাস নষ্ট করে…..
আজকের লেখাটা উৎসর্গ করলাম সেই মানুষটাকে যার হাত ধরে পরম বিশ্বাস আর ভালোবাসা নিয়ে কাটিয়ে দিতে চেয়ে ছিলাম যুগের পর যুগ। যেন স্বর্গ প্রেমের হাতছানি যেখানে ক্লান্তিরা এসে বাসা বাঁধে না। চির অটুট থাকবে এ বন্ধন, এই কামনায়......................
![]() |
| Add caption |


No comments:
Post a Comment